গল্প: “মাহির পিজা এবং কমতে থাকা তৃপ্তি”

মাহি একটি ছোট্ট মেয়ে, যার আজ জন্মদিন। বাবা তাকে একটি বড়সড়ো পিজা কিনে এনেছেন—গোলাপি বক্সে মোড়ানো, গরম গরম চিজ আর পেপারোনি দিয়ে ঠাসা! মাহির চোখ আনন্দে চকচক করে উঠলো।

১ম টুকরা: “এতো সুস্বাদু! Wonderful!”

মাহি প্রথম টুকরা পিজা মুখে দিতেই তার চোখ বড় হয়ে গেল! “ওয়াও! এটা পৃথিবীর সবচেয়ে সুস্বাদু জিনিস!” সে চিৎকার করে বলল। চিজের গলনেড় গন্ধ, টমেটো সসের টক-মিষ্টি স্বাদ—সব মিলিয়ে সে অতৃপ্ত

২য় টুকরা: “Good… কিন্তু আগের মতো নয়!”

দ্বিতীয় টুকরাটা সে কিছুটা ধীরে ধীরে খেল। মুখে দিয়ে বলল, “হুম, ভালো… কিন্তু প্রথম টুকরার মতো অসাধারণ লাগছে না।” বাবা হাসলেন, “এটাই তো স্বাভাবিক, মাহি!”

৩য় টুকরা: “এবার ঠিক আছে…”

তৃতীয় টুকরায় মাহির জিভে আগের মতো রোমাঞ্চ নেই। সে বলল, “আচ্ছা, খেতে তো ঠিকই আছে… কিন্তু আর দরকার নেই।” পেট ভরে আসছে, আর চিজের স্বাদও একইরকম লাগছে।

৪র্থ টুকরা: “এখন জোর করে খাওয়া…”

বাবা জিদ করলেন, “একটু বেশি খাও!” মাহি কষ্ট করে চতুর্থ টুকরা খেল, কিন্তু এবার তার মুখ ভারী হয়ে এলো। “আর না, বাবা… এখন অস্বস্তি লাগছে!”

৫ম টুকরা: “বমি বমি পাচ্ছে!”

শেষ টুকরাটা সে অর্ধেক খেয়েই থামল। “আমি আর পারবো না… পিজা দেখলেই এখন গা গুলায়!” বলেই সে প্লেট ঠেলে দিল।

অর্থনীতির পাঠ: “প্রান্তিক উপযোগ হ্রাসের নীতি (Law of Diminishing Marginal Utility)”

ইফেক্ট: মাহির কাছে পিজার মূল্য প্রথমে বেশি ছিল, কিন্তু যত বেশি পেল, ততই তার চাহি

আহ! কী মজা! কী সুস্বাদু
ভালো লাগছে না! খেতে ইচ্ছে করছে না!